অনেকের ধারণা, পাইলস ভালো হয় না এবং এটির কোনো চিকিৎসা নেই।

           

blogbd24.com


 লেজার পাইলস সার্জারি (LASER piles surgery - LHP / HeLP)-

পাইলস অতি সাধারণ একটি রোগ। অনেকের ধারণা, পাইলস ভালো হয় না এবং এটির কোনো চিকিৎসা নেই। এমন ধারণা ঠিক নয়। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে পাইলসের সফল চিকিৎসা সম্ভব এবং পাইলস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
কি কি চিকিৎসা আছে?
প্রাথমিক অবস্থায় নিয়ম কানুন এবং সঙ্গে কিছু ওষুধের মাধ্যমে নিরাময় হতে পারে। কিন্তু এটি যখন দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল পর্যায়ে চলে যায়, তখন অপারেশন ছাড়া বিকল্প থাকে না। পাইলস চিকিৎসার জন্য বহু ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। যেমন-
• ইনজেকশন ( Injection Sclerotherapy)
• রিংলাইগেশন ( RBL- Rubber band ligation/ Baroon banding)
• ইলেকট্রোকোয়াগুলেশন ( Electrocoagulation)
• ক্রায়োথেরাপি ( Cryotherapy)
• ইনফ্রারেড ফটোকোয়াগুলেশন (Infrared Photocoagulation).
• লেজার থেরাপি ( LHP / HeLP)
• প্রচলিত অপারেশন (Haemorrhoidectomy)
• লংগো ( Longo) অপারেশন,
• ডাবল পার্স স্ট্রিং স্টেম্পল হেমোরোহাইডোপেক্সি। • ডাবল পার্স স্ট্রিং মিউকোপেক্সি সহ স্টেইনড হেমোর্রয়েডোপেক্সি। • টিএইচডি (ট্রান্সানাল হেমোর্রয়েড ডিয়ার্টিরিয়াইজেশন) AR এইচএএল (হেমোরোহাইডাল আর্টারি লিগেশন) আরএআর (পুনরুদ্ধার মেরামতের) Ut স্যচুর হেমোরয়েডোপেক্সি।
সবধরনের পদ্ধতির কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা আছে। আর লেজার পাইলস সার্জারি হচ্ছে এই অনেকগুলো options এর মাঝে একটি।
লেজার কিভাবে কাজ করে?
লেজার এক বিশেষ ধরনের আলো। এতে লেজার প্রব দিয়ে লেজার এনার্জি পাইলসে প্রয়োগ করা হয়। এটি পাইলসে প্রয়োগ করলে পাইলস চুপসে স্বাভাবিক হয়ে যায়। ফলে পাইলস নিরাময় হয়। এতে সাধারনত খুব একটা কাটাছেঁড়া, সেলাই, অথবা রক্তপাত নেই।
লেজার অপারেশন কয় ধরনের ?:
এটাকে কয়েকভাবে ব্যক্ষা করা যায়। তবে এর কিছু modifications আছে যাতে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
। এলএইচপি (লেজার হেমোরোহাইডোপ্লাস্টি)। • হিএলপি (হাইমোরহয়েড লেজার পদ্ধতি)। H এইচএল (হেমোরোহাইডাল আর্টারি লিগেশন) / টিএইচডি সহ এলএইচপি (ট্রান্সানাল হেমোর্রয়েড ডিয়েটিরিয়াইজেশন)। AR এইচএল (হেমোরোহাইডাল আর্টারি লিগেশন) এর সাথে এলএইচপি আরএআর (রিকটোয়ানাল মেরামত) সহ।
কোন কোন ক্ষেত্রে লেজার করব?
• প্রাথমিক পর্যায়ে লেজার ভালো।
• Advanced Stage এ ফলাফল কম আশাব্যঞ্জক।
• তবে উন্নত পর্যায় R সংযোজন এইচএল (হেমোরোহাইডাল আর্টারি লিগেশন) আরএআর (পুনরুদ্ধার মেরামতের) করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
• যখন রোগী আগ্রহী থাকে।
সুবিধাসমুহ-
• কোনো কাটা ছেঁড়া পড়ে না।
• ফলে রক্তক্ষরণ হয় না,
• মলদ্বার চেপে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
• ব্যথা কম হয় এবং পায়খানা ধরে রাখতে সমস্যা হয় না।
• অল্প সময়ে রোগী স্বাভাবিক কাজকর্মে ফিরে যেতে পারে।
• যে কারণে পাইলসের লেজার চিকিৎসা বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে ও গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
অসুবিধাসমুহ-
• যন্ত্র অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
• বিশেষ প্রশিক্ষণের দরকার হয়।
• নিরাপত্তার জন্য চোখে গগলস পরতে হয়।
• চিকিৎসা ব্যয়ও বেশি।
• কিছু ক্ষেত্রে ইনফেকশন হতে পারে।
• রক্তপাত হতে পারে।
• পুনরায় হতে পারে।
• গ্রেড ৩ অথবা ৪ হলে সফলতার হার কম।
• শেক বা হিপবাথ নিতে হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য